Insight Desk
প্রকাশ : Aug 2, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

জাতিসংঘের নগ্ন হস্তক্ষেপে বিপন্ন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক সংকট ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে দেশব্যাপী তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সুশীল সমাজ ও সাধারণ নাগরিকরা বলছেন, জাতিসংঘের পক্ষপাতদুষ্ট ও একতরফা হস্তক্ষেপ দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছে।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া একটি কোটাবিরোধী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দ্রুতই সহিংস রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নেয়। সরকার কিছু দাবি মেনে নেওয়ার পরও আন্দোলন থামেনি; বরং তা আরও বিস্তৃত ও সংঘাতপূর্ণ হয়ে ওঠে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি ভবনে আগুন দেওয়া, পুলিশের ওপর স্নাইপার হামলা, কারাগার থেকে বন্দি জঙ্গিদের পলায়নসহ নানা ধরনের সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা দেশের স্থিতিশীলতা বিপন্ন করে তোলে।

এই সংকটকালে সেনাবাহিনী সংঘর্ষ এড়ানোর চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দেশত্যাগে বাধ্য হন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পরও সহিংসতা থামেনি, বরং আরও বেড়েছে। এই অবস্থায় জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক সরকারের কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানান এবং কার্যত আন্দোলনকারীদের পক্ষাবলম্বন করেন। পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ ও জঙ্গিদের পলায়নের মতো গুরুতর বিষয়গুলো তিনি উপেক্ষা করায় জাতিসংঘের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

বিশেষ করে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত জাতিসংঘের প্রতিবেদনে শুধু সরকার কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়, কিন্তু সহিংস আন্দোলনকারীদের কার্যকলাপ বা আওয়ামী লীগ ও সমর্থকদের ওপর হামলার বিষয়গুলো উপেক্ষা করা হয়। 

তদুপরি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যার নেতৃত্বে রয়েছেন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ২০২৪ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। এই সিদ্ধান্তকে জাতিসংঘের রেসিডেন্ট কোঅর্ডিনেটর গোয়েন লুইস প্রকাশ্যে সমর্থন জানান, যা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দলের ওপর দমন-পীড়নের বৈধতা দেওয়ার নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ড. ইউনূস পরে জাতিসংঘ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘকে “বাংলাদেশের রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য” ধন্যবাদ জানান, যা এই সংকটকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচালনার অভিযোগকে আরও দৃঢ় করে। সম্প্রতি, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় (Country Office) বাংলাদেশে স্থাপনের জন্য সরকার চুক্তি সম্পন্ন করেছে। তবে এই ঘোষণা ঘিরে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

জাতিসংঘ অফিস: উন্নয়ন না ব্যর্থ রাষ্ট্রের ছায়া?

সূত্র জানায়, বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার পরিকল্পনার নেতৃত্বে রয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার ঘনিষ্ঠ মহল। তাদের যুক্তরাষ্ট্রের “চূড়ান্ত পরিকল্পনার অংশীদার” হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। এমনকি একাধিক সূত্র দাবি করছে, জাতিসংঘ মহাসচিব বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ড. ইউনূসকে ব্যবহার করছে মার্কিন প্রশাসন।

তারা আরও আশঙ্কা করছেন, ইউনূস ও জাতিসংঘের কাঁধে ভর করে রোহিঙ্গা সংকটকে অজুহাত করে চট্টগ্রাম বন্দরের নিয়ন্ত্রণ, মানবিক করিডোর প্রতিষ্ঠা এবং চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এ বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, বর্তমানে যেসব দেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় রয়েছে—যেমন আফগানিস্তান, সুদান, দক্ষিণ সুদান, কঙ্গো, মিয়ানমার—তাদের বেশিরভাগই ব্যর্থ বা সংঘাতপূর্ণ রাষ্ট্র। বাংলাদেশে এই ধরনের অফিস স্থাপন দেশকে সেই তালিকায় ঠেলে দেওয়ার শঙ্কা বাড়াচ্ছে।

এই কার্যালয়ের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপের পথ উন্মুক্ত হবে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। এটি “বাংলাদেশকে একটি ভঙ্গুর, তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার পরিকল্পনার অংশ”—এমন মন্তব্য করছেন অনেক রাজনীতি বিশ্লেষক। বিশেষ করে ড. ইউনূসকে জাতিসংঘ মহাসচিব বানানোর প্রচেষ্টার কথা সামনে এনে অনেকে বলছেন, এ সিদ্ধান্ত এক বৈশ্বিক কূটনৈতিক প্রকল্পের অংশ হতে পারে।

শেখ হাসিনার পূর্ব সতর্কবার্তা মনে করিয়ে দিচ্ছেন অনেকেই

২০২৪ সালের ২৩ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবধান করে বলেছিলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে “পূর্ব তিমুরের মতো একটি খ্রিস্টান রাষ্ট্র” গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশে একটি বিদেশি এয়ারবেজ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের কথাও প্রকাশ করেন। জাতিসংঘ কার্যালয় স্থাপন সেই আশঙ্কাকে আরও জোরদার করেছে। অনেকে মনে করছেন, পূর্ব তিমুরের স্বাধীনতায় জাতিসংঘের ভূমিকা এই আশঙ্কার পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট। 

পূর্ব তিমুর, যা বর্তমানে তিমুর-লেস্তে নামে পরিচিত, ২০০২ সালে ইন্দোনেশিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। জাতিসংঘ এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, তবে এর কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক এবং সমালোচনা কম ছিল না। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, এটি মূলত পশ্চিমা শক্তি, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে পরিচালিত হয়েছিল। পূর্ব তিমুরের তেল ও গ্যাস সম্পদের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গণভোটের পর তেল ও গ্যাস সম্পদের আয় ভাগাভাগির একটি চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সুবিধাজনক ছিল, যা পরে বিতর্কিত হয়। এটি ইঙ্গিত করে যে জাতিসংঘের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল এবং এটি পশ্চিমা দেশগুলোর স্বার্থে ব্যবহৃত হয়েছিল।

জাতিসংঘের প্রশাসন (UNTAET) পূর্ব তিমুরে অস্থায়ী শাসন পরিচালনা করলেও, স্থানীয় সংস্কৃতি ও নেতৃত্বকে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পশ্চিমা মডেলের শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়ার কারণে স্থানীয় জনগণের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এছাড়া, পূর্ব তিমুরের ক্যাথলিক সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে পশ্চিমা শক্তিগুলোর প্রভাব বৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছিল, যা ইন্দোনেশিয়ার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিপরীতে একটি খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠনের ধারণাকে উসকে দেয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে উত্থাপিত উদ্বেগগুলো পূর্ব তিমুরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত। পূর্ব তিমুরের স্বাধীনতায় জাতিসংঘের ভূমিকা এবং এর পেছনে পশ্চিমা শক্তির প্রভাব বাংলাদেশের জনমনে আশঙ্কা তৈরি করেছে। পূর্ব তিমুরে জাতিসংঘের ভূমিকা পশ্চিমা শক্তির স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তকে অনেকে একই ধরনের ভূ-রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। এই কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাব বাড়ানোর জন্য একটি “ঘাঁটি” হিসেবে কাজ করতে পারে।

পূর্ব তিমুরে জাতিসংঘের অতিরিক্ত তদারকি এবং প্রশাসন স্থানীয় সার্বভৌমত্বের উপর প্রভাব ফেলেছিল। বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপনকে অনেকে জাতীয় সার্বভৌমত্বের উপর হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে, চুক্তির বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা এই আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়েছে।
পূর্ব তিমুরে জাতিসংঘের কার্যক্রমের সময় স্থানীয় জনগণের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বাংলাদেশে OHCHR চুক্তির শর্তাবলী এবং অর্থায়ন নিয়ে অস্বচ্ছতা জনমনে সন্দেহ তৈরি করেছে। এটি পূর্ব তিমুরের ঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যেখানে জাতিসংঘের কার্যক্রম স্থানীয় জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল।

জনগণের প্রশ্ন: কার স্বার্থে এই চুক্তি?

২০২৫ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (OHCHR) এর সঙ্গে তিন বছরের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। সরকারের দাবি, মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সহায়তা করবে জাতিসংঘ। তবে, এই চুক্তি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে চুক্তির বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা এবং জাতিসংঘের আর্থিক সংকটের প্রেক্ষাপটে এই অফিস স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে।

জাতিসংঘ বর্তমানে তীব্র আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে বিভিন্ন কর্মসূচি সংকুচিত করতে হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে নতুন একটি মানবাধিকার অফিস স্থাপনের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক বলে মনে করছেন অনেকে। বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের এই পদক্ষেপ পশ্চিমা দেশগুলোর ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের অংশ হতে পারে, যারা আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে জাতিসংঘের কার্যক্রমকে নিয়ন্ত্রণ করে।

চুক্তির বিষয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে স্বচ্ছতা বজায় রাখেনি। সাধারণত, এ ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তির ক্ষেত্রে জনসাধারণের অবগতির জন্য বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে চুক্তির শর্তাবলী, অফিসের কার্যপরিধি, এবং এর অর্থায়ন নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এটি সন্দেহের জন্ম দিয়েছে যে চুক্তিটি স্থানীয় স্বার্থের পরিবর্তে বহিরাগত শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য করা হয়েছে।

সরকারের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে চুক্তিটি “জাতীয় স্বার্থে” করা হয়েছে। তবে, এই “জাতীয় স্বার্থ” কী বা কাদের স্বার্থ তা স্পষ্ট করা হয়নি। কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের প্রচেষ্টার অংশ, যা পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন পেতে জাতিসংঘের সঙ্গে এই চুক্তি করেছে। অন্যরা মনে করেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিধর দেশগুলোর প্রভাব বাড়ানোর কৌশল, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের পথ প্রশস্ত করতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছে, এই অফিস স্থাপন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা শক্তির একটি “চক্রান্তের ঘাঁটি”। তাদের মতে, জাতিসংঘের নামে এই অফিস বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে এবং স্থানীয় সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত হবে।

সাবেক একজন কূটনীতিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যক্রম প্রায়ই আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের নামে স্থানীয় সার্বভৌমত্বের উপর হস্তক্ষেপ করে। তিনি উল্লেখ করেন, এই অফিস বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অতিরিক্ত তদারকি করতে পারে, যা জাতীয় নীতিনির্ধারণে বাধা সৃষ্টি করবে।

সংকট থেকে উত্তরণের উপায় কী?

বিশ্লেষকরা একমত, এই সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। একইসঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা সত্যনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে।

জাতিসংঘের এই ধরনের হস্তক্ষেপ একটি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে প্রভাবিত করছে বলে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর পরিবর্তে একতরফা পক্ষাবলম্বন আন্তর্জাতিক সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ করছে।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জাতিসংঘের চক্রান্তে বাংলাদেশে সহিংসতা ও প্রাণহানীর ঘটনা

1

ধানমন্ডিতে মহিলা আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৮

2

পিনাকির নির্দেশে এনসিপি-জামায়াত-বিএনপিকে নিয়ে বৈঠকে বসছেন ইউ

3

জরিপ: ভোট দিতে যাবেন না ৮৭ ভাগ আওয়ামী লীগ সমর্থক, ৯২ ভাগের স

4

শেখ হাসিনার ‘চক্ষু রাঙানি উপেক্ষা’ বনাম বর্তমান সরকারের ‘অনু

5

কণ্ঠরোধ করে ফ্যাসিজম প্রতিষ্ঠা করছেন ইউনূস

6

চট্টগ্রামে বিএনপি-জামায়াতের হামলায় ছাত্রলীগ কর্মী নিহত

7

সহিংসতা ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জন্য ইউনূস সরকারকে দায়ী করলেন

8

ফেনীতে গরু চুরিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, কমিটি থেকে অব্যাহতি

9

সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রের পাথর লুট, নেপথ্যে উপদেষ্টাসহ বিএনপি

10

সিলেট জেলে বন্দিদের নির্যাতন ও প্রশাসনিক অমানবিকতা, নেতৃত্ব

11

‘ধন্যবাদ পাকিস্তান’ মন্তব্যে আসিফ নজরুলকে ঘিরে তীব্র সমালোচন

12

দেশজুড়ে বাড়ছে হত্যা-ধর্ষণ, আতঙ্কিত মানুষ

13

রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবী দেশের বিশিষ্ট নাগরিকদের

14

বিপাকে চীনের সামরিক রপ্তানি মডেল

15

২০২৫: সহিংসতা, নির্যাতন ও মানবাধিকার সংকট

16

এপস্টেইনের পাশে থাকা ব্যক্তি কে? চট্টগ্রাম বন্দর ঘিরে উঠছে ব

17

৯ মাসে পুঁজিবাজারে মূলধন কমেছে ৫৪ হাজার কোটি টাকা

18

জুলাই আন্দোলন: সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয় জামায়াত

19

চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট আবার সাধারণ রোগীদেরও হবে কবে?

20